আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): আবুজায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত ‘ইসলামিক ভোকেশনাল কোর্স’ (আইভিসি)-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে শেখ ইব্রাহিম যাকযাকি এই মন্তব্য করেন।
স্কুল ছুটির সময় ‘ইসলামিক মুভমেন্ট’-এর ছাত্র সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ যাকযাকি তাঁর বক্তব্যে আইভিসি (IVC) কর্মসূচিকে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের লালন-পালন ও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য কেবল প্রথাগত শিক্ষাদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের চিন্তাধারা ও মানসিকতার উৎকর্ষ সাধন করা, যাতে তারা সঠিক যুক্তি-বিচারের সক্ষমতা অর্জন করতে পারে এবং নিজেদের ধর্মবিশ্বাসকে যথাযথভাবে অনুধাবন ও উপলব্ধি করতে পারে।
শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মানবমনকে প্রাণবন্ত ও সচল রাখার জন্য সুস্থ ও গঠনমূলক চিন্তাধারার খোরাক প্রয়োজন; তাই জ্ঞান অর্জন ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের তাদের কৈশোরকালকে কাজে লাগানো উচিত।
তিনি উল্লেখ করেন যে, ইহকাল ও পরকাল—উভয় জগতেই ব্যক্তির জন্য কল্যাণকর এবং সমাজের জন্য উপকারী যেকোনো জ্ঞান যদি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে অর্জন করা হয়, তবে তা ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। তিনি উদাহরণস্বরূপ চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য, কৃষি, বিজ্ঞান, পরিবহন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রের কথা উল্লেখ করেন।
শেখ যাকযাকি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অগ্রগতি ও বর্তমান শক্তির মূল কারণ হিসেবে জ্ঞানকে চিহ্নিত করেছেন; তিনি উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশটির সক্ষমতা ও দৃঢ়তার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
পরিশেষে, তিনি শিক্ষার্থীদের এমন জ্ঞান অর্জনে আরও কঠোর প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান যা তাদের নিজেদের ও সমাজের জন্য কল্যাণকর; পাশাপাশি তিনি সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তার সমাধানে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
Your Comment